০৮ অক্টোবর ২০১৫

দারুন

” দুইজন ফ্রেশ কম্পিউটার সায়েন্স গ্রাজুয়েট। একজনের প্রোগ্রামিং লজিক ভালো, কমন ডাটা স্ট্রাকচার ও অ্যালগরিদমগুলো নিজে নিজে ইমপ্লিমেন্ট করতে পারে, প্রোগ্রামের কমপ্লেক্সিটি সহজেই বুঝতে পারে, থ্রেড ও প্রসেসের পার্থক্য বুঝে, রাউটারে যে ডিকস্ট্রার শর্টেস্ট পাথ অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হয় – সেটা জানে, বিভিন্ন অনলাইন জাজে নিয়মিত প্রবলেম সলভ করেছে, অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং নিয়ে টুকটাক প্রশ্ন করলে ঠিকঠাক উত্তর দিতে পারে, ইংরেজিতে এক প্যারা কিছু লিখতে দিলে দৃষ্টিকটু ভুল করে না।
আরেকজন স্টুডেন্ট লাইফেই অনেক কিছু করে ফেলেছে। সি, সি প্লাস প্লাস, জাভা, পাইথন, পিএইচপি, রুবি, লারাভেল ফ্রেমওয়ার্ক, জ্যাঙ্গো ফ্রেমওয়ার্ক, জাভাস্ক্রিপ্ট, এইচটিএমএল, সিএসএস, ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা সবই জানে। অনেকগুলো প্রজেক্ট করেছে। প্লে স্টোরে দশটা অ্যাপও আছে। আবার অ্যাপ কনটেস্টে এক লাখ টাকার পুরষ্কারও জিতেছে। কিন্তু কোনো একটা প্রোগ্রাম লিখে কমপ্লেক্সিটি বের করতে বললে সে সেটা করতে না পেরে বিরক্ত হয়। ডিএফএস-বিএফএস কেন, কী কাজে লাগে এগুলো বুঝে না। লিঙ্কড লিস্ট ইমপ্লিমেন্ট করতে পারে না। সর্ট ফাংশন ব্যবহার করতে পারলেও মার্জ সর্ট বা কুইক সর্ট কীভাবে কাজ করে সেটা ভুলে গেছে। কিন্তু সে এগুলোর ধার ধারে না, ইতিমধ্যে নিজের কামাইয়ে একটা ম্যাকও কিনে ফেলেছে।
তো খুব ভালো কোনো সফটওয়্যার কোম্পানীতে দ্বিতীয় জনের কোনো সুযোগ নেই, সে ইন্টারভিউতেই বাদ পড়ে যাবে। যদিও দুইজনই হয়ত জীবনে সফল হবে, কিন্তু খুব ভালো সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে গেলে প্রথম জনের দক্ষতাগুলোই গুরুত্বপূর্ণ এবং ইন্টারভিউতে সেগুলোই দেখা হয়। ”

—– তামিম শাহরিয়ার সুবিন ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন